<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?>
<!-- generator="wordpress/2.3.2" -->
<rss version="2.0"
	xmlns:content="http://purl.org/rss/1.0/modules/content/"
	xmlns:wfw="http://wellformedweb.org/CommentAPI/"
	xmlns:dc="http://purl.org/dc/elements/1.1/"
	>

<channel>
	<title>Evergreen Bangla Health</title>
	<link>http://health.evergreenbangla.com</link>
	<description></description>
	<pubDate>Fri, 18 Apr 2008 05:57:45 +0000</pubDate>
	<generator>http://wordpress.org/?v=2.3.2</generator>
	<language>en</language>
			<item>
		<title>ডায়েবেটিস নিয়ন্ত্রণে ভিটামিন ডি</title>
		<link>http://health.evergreenbangla.com/%e0%a6%a1%e0%a6%be%e0%a7%9f%e0%a7%87%e0%a6%ac%e0%a7%87%e0%a6%9f%e0%a6%bf%e0%a6%b8-%e0%a6%a8%e0%a6%bf%e0%a7%9f%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%a4%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%a3%e0%a7%87-%e0%a6%ad%e0%a6%bf%e0%a6%9f/</link>
		<comments>http://health.evergreenbangla.com/%e0%a6%a1%e0%a6%be%e0%a7%9f%e0%a7%87%e0%a6%ac%e0%a7%87%e0%a6%9f%e0%a6%bf%e0%a6%b8-%e0%a6%a8%e0%a6%bf%e0%a7%9f%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%a4%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%a3%e0%a7%87-%e0%a6%ad%e0%a6%bf%e0%a6%9f/#comments</comments>
		<pubDate>Sat, 12 Apr 2008 05:26:32 +0000</pubDate>
		<dc:creator>admin</dc:creator>
		
		<category><![CDATA[ডায়াবেটিস]]></category>

		<category><![CDATA[]]></category>

		<category><![CDATA[ভিটামিন-ডি]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://health.evergreenbangla.com/%e0%a6%a1%e0%a6%be%e0%a7%9f%e0%a7%87%e0%a6%ac%e0%a7%87%e0%a6%9f%e0%a6%bf%e0%a6%b8-%e0%a6%a8%e0%a6%bf%e0%a7%9f%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%a4%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%a3%e0%a7%87-%e0%a6%ad%e0%a6%bf%e0%a6%9f/</guid>
		<description><![CDATA[খুব ছোটবেলায় বাচ্চাদের ভিটামিন ডি সাপ্লিমেন্ট দিলে পরবর্তী জীবনে টাইপ ১ ডায়েবেটিসের ঝুঁকি কমানো যায়। এ নিয়ে অনেকগুলো গবেষণা বিশেস্নষণ করে ব্রিটিশ গবেষকরা তাৎপর্যপূর্ণ প্রমাণ পেলেন যে, এই ভিটামিনের সাপ্লিমেন্টের সঙ্গে ডায়েবেটিসের ঝুঁকি হ্রাসের রয়েছে যোগাযোগ।
‘আর্কাইভস অব ডিজিজ ইন চাইল্ডহুড’ জার্নালে সম্প্রতি প্রকাশিত এক প্রবন্ধে ডাঃ ক্রিস্টোস জিপিটিস নামে শিশু বিশেষজ্ঞ ও মুখ্য গবেষক দেখিয়েছেন [...]]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p>খুব ছোটবেলায় বাচ্চাদের ভিটামিন ডি সাপ্লিমেন্ট দিলে পরবর্তী জীবনে টাইপ ১ ডায়েবেটিসের ঝুঁকি কমানো যায়। এ নিয়ে অনেকগুলো গবেষণা বিশেস্নষণ করে ব্রিটিশ গবেষকরা তাৎপর্যপূর্ণ প্রমাণ পেলেন যে, এই ভিটামিনের সাপ্লিমেন্টের সঙ্গে ডায়েবেটিসের ঝুঁকি হ্রাসের রয়েছে যোগাযোগ।</p>
<p>‘আর্কাইভস অব ডিজিজ ইন চাইল্ডহুড’ জার্নালে সম্প্রতি প্রকাশিত এক প্রবন্ধে ডাঃ ক্রিস্টোস জিপিটিস নামে শিশু বিশেষজ্ঞ ও মুখ্য গবেষক দেখিয়েছেন জন্ম থেকে শুরু করে যেসব শিশুকে কিছুকাল ভিটামিন-ডি সাপ্লিমেন্ট দেয়া হলো এবং যাদেরকে ১৫-৩০ বছর পর্যন্ত অনুসরণ করা হলো, এদের মধ্যে ডায়েবেটিসের ঝুঁকি কমেছে ২৯%। সাপ্লিমেন্টের পরিমাণ ১০ মাইক্রোগ্রাম বা ৪০০ আইইউ। শিশুদের মাল্টিভিটামিনে তেমন পরিমাণ ভিটামিন-ডি-ই থাকে।</p>
<p>৬,৪৫৫ জন শিশু নিয়ে পরিচালিত তিনটি কেস্‌কন্‌ট্রোল স্টাডির উপাত্তের ওপর ভিত্তি করে তার এ রিপোর্টে দেখানো হয়েছে যেসব শিশু সাপ্লিমেন্ট দেয়া হয়েছে, আর যাদের দেয়া হয়নি, এদের তুলনা করলে, যাদের ভিটামিন দেয়া হয়েছিল এদের টাইপ ১ ডায়েবেটিসের ঝুঁকি কমেছিলো ২৯%। ডাঃ জিপিটিস সর্বমোট পাঁচটি গবেষণা বিশেস্নষণ করে দেখেছেন, ভিটামিন-ডি’র মাত্রা বাড়ালে ও নিয়মিত গ্রহণে এর সুরক্ষা গুণ বাড়ে। ডাঃ জিপিটিস তাদের গবেষণায় দেখিয়েছেন, শৈশবে ভিটামিন-ডি গ্রহণে পরবর্তী জীবনে টাইপ ১ ডায়েবেটিস থেকে হয় সুরক্ষা। এই নতুন গবেষণায় সম্পর্কটি আরো জোরালো প্রমাণ পেলো।</p>
<p>তবে প্রাপ্ত উপাত্তের মধ্যে কিছু সীমাবদ্ধতাও রয়েছে। এই নতুন গবেষণা প্রবন্ধে দেখানো হয়নি সাপ্লিমেন্ট ছাড়া অন্যান্য উৎস থেকে কি পরিমাণ ভিটামিন-ডি শিশুরা পেয়েছিলো, শুরু করার সময়ই তাদের মধ্যে কাদের এই ভিটামিন-ডি ঘাটতি ছিলো? জিপিটির বলেন, ভিটামিন-ডি’র চরম ঘাটতিতে যাদের রিকেটস রোগ হয় তাদের টাইপ ১ ডায়েবেটিসের উচ্চঝুঁকি থাকে। তিনগুণ বেশি ঝুঁকি থাকে সাধারণ জনগোষ্ঠীর তুলনায়। বোঝা গেলো, শরীরে ভিটামিন-ডি যত বেশি, টাইপ ১ ডায়েবেটিসের সম্ভাবনা তত কম।</p>
<p>অতীতের গবেষণাও এরকম ফলাফলের দিকেই ইঙ্গিত করেছে। রৌদ্রের কিরণ থেকে যেসব দেশ অনেকটা বঞ্চিত, সেসব দেশের তুলনায় যেসব দেশে রৌদ্রালোক অফুরন্ত, আর শরীরে এজন্য ভিটামিন-ডি উৎপাদন হয় পর্যাপ্ত, সেসব দেশের লোকদের মধ্যে টাইপ ১ ডায়েবেটিস অনেক কম। গবেষণায় দেখা গেছে ইউরোপে, বিলেতে ভিটামিন ডি ঘাটতি নতুনভাবে দেখা দিয়েছে, শিশুদের মধ্যে রিকেটস-এর পুনঃআবির্ভাব ঘটেছে। রৌদ্রালোক থেকে রক্ষার জন্য সানবস্নক ব্যবহার, রৌদ্রালোক কোনো কোনো ঋতুতে কম পড়া এসব উপাদান তো রয়েছেই।</p>
<p>রক্তে ভিটামিন ডি মান কম থাকলে কেবল যে রিকেটস ও টাইপ ১ ডায়েবেটিস হতে পারে তাই নয়, ঝুঁকি থাকতে পারে অটোইম্যুন রোগ যেমন- রিউমাটয়েড আথ্রাইটিস ও মালটিপল স্ক্লেরোসিসের মত রোগের। এছাড়া কিছু বিরল তবে গুরুতর রোগ কার্ডিও মায়োপ্যাথি গবেষণা থেকে দেখা গেছে ভিটামিন ডি সাপ্লিমেন্ট গ্রহণের রয়েছে যথেষ্ট হিতকরী ফলাফল। হাড় তো মজবুত হয়ই, এতে কমে অনেক ধরনের ক্যান্সারেরও ঝুঁকি। ১৭৯ জন রজঃনিবৃত্তি-উত্তর মহিলাদের ওপর গবেষণার ফলাফল প্রকাশিত হয়েছে আমেরিকান জার্নাল অব ক্লিনিক্যাল নিউট্রিশনে ২০০৭ সালে। দেখা গেছেঃ যেসব মহিলার দিনে ক্যালসিয়াম ও ১১০০ আইইউ ভিটামিন-ডি গ্রহণ করেছেন এদের অন্য মহিলাদের তুলনা ৮০% কম ক্যান্সার হয়েছে।</p>
<p>আমেরিকান একাডেমী অব পেডিয়াট্রিস ছোট্ট শিশুদের জন্য প্রতিদিন ২০০ আইইউ ভিটামিন-ডি সাপ্লিমেন্ট গ্রহণের পরামর্শ দিয়েছেনঃ দুই মাস বয়স থেকে।</p>
<p>&#8212;&#8212;&#8212;&#8212;&#8212;&#8212;&#8212;&#8212;<br />
অধ্যাপক ডাঃ শুভাগত চৌধুরী<br />
ডাইরেক্টর, ল্যাবরেটরী সার্ভিসেস, বারডেম, ঢাকা।<br />
দৈনিক ইত্তেফাক, ১২ এপ্রিল ২০০৮</p>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://health.evergreenbangla.com/%e0%a6%a1%e0%a6%be%e0%a7%9f%e0%a7%87%e0%a6%ac%e0%a7%87%e0%a6%9f%e0%a6%bf%e0%a6%b8-%e0%a6%a8%e0%a6%bf%e0%a7%9f%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%a4%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%a3%e0%a7%87-%e0%a6%ad%e0%a6%bf%e0%a6%9f/feed/</wfw:commentRss>
		</item>
		<item>
		<title>হারনিয়া অপারেশনে ভালো হয়</title>
		<link>http://health.evergreenbangla.com/%e0%a6%b9%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a6%a8%e0%a6%bf%e0%a7%9f%e0%a6%be-%e0%a6%85%e0%a6%aa%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a7%87%e0%a6%b6%e0%a6%a8%e0%a7%87-%e0%a6%ad%e0%a6%be%e0%a6%b2%e0%a7%87%e0%a6%be-%e0%a6%b9/</link>
		<comments>http://health.evergreenbangla.com/%e0%a6%b9%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a6%a8%e0%a6%bf%e0%a7%9f%e0%a6%be-%e0%a6%85%e0%a6%aa%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a7%87%e0%a6%b6%e0%a6%a8%e0%a7%87-%e0%a6%ad%e0%a6%be%e0%a6%b2%e0%a7%87%e0%a6%be-%e0%a6%b9/#comments</comments>
		<pubDate>Sat, 12 Apr 2008 05:24:31 +0000</pubDate>
		<dc:creator>admin</dc:creator>
		
		<category><![CDATA[পাকস্থলী ও পরিপাকতন্ত্র]]></category>

		<category><![CDATA[]]></category>

		<category><![CDATA[খাদ্যনালী]]></category>

		<category><![CDATA[হারনিয়া]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://health.evergreenbangla.com/%e0%a6%b9%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a6%a8%e0%a6%bf%e0%a7%9f%e0%a6%be-%e0%a6%85%e0%a6%aa%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a7%87%e0%a6%b6%e0%a6%a8%e0%a7%87-%e0%a6%ad%e0%a6%be%e0%a6%b2%e0%a7%87%e0%a6%be-%e0%a6%b9/</guid>
		<description><![CDATA[হারনিয়া অতি কমন একটি রোগ। জন্ম থেকে শুরু করে বৃদ্ধ বয়স পর্যন্ত যে কারো এই রোগ হতে পারে। আসলে হারনিয়া একটি সার্জিক্যাল রোগ অর্থাৎ অপারেশন ছাড়া এ রোগ ভালো হবার নয়। সাধারণভাবে হারনিয়া হলো পেটের মধ্যস্থ খাদ্যনালী বা অন্য যেকোনো অঙ্গ পেটের দুর্বল স্থান দিয়ে বাহিরে চলে আসাকে বুঝায়।
হারনিয়ার কারণ কি কি?
পেট বা এবডোমেন ওয়ালের [...]]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p>হারনিয়া অতি কমন একটি রোগ। জন্ম থেকে শুরু করে বৃদ্ধ বয়স পর্যন্ত যে কারো এই রোগ হতে পারে। আসলে হারনিয়া একটি সার্জিক্যাল রোগ অর্থাৎ অপারেশন ছাড়া এ রোগ ভালো হবার নয়। সাধারণভাবে হারনিয়া হলো পেটের মধ্যস্থ খাদ্যনালী বা অন্য যেকোনো অঙ্গ পেটের দুর্বল স্থান দিয়ে বাহিরে চলে আসাকে বুঝায়।</p>
<p><strong>হারনিয়ার কারণ কি কি?</strong></p>
<p>পেট বা এবডোমেন ওয়ালের দুর্বলতাই হারনিয়ার একমাত্র কারণ। এই দুর্বলতা বিভিন্ন কারণে হতে পারে। যেমন- (১) জন্মগত (২) অপারেশন, আঘাত এবং ইনফেকশন ইত্যাদি।</p>
<p>সবচেয়ে কমন যে হারনিয়া আমরা পেয়ে থাকি তার মধ্যে (১) ইনগুইনাল হারনিয়া এবং (২) ইনসিসনাল হারনিয়া বা অপারেশনের জায়গায় হারনিয়া।</p>
<p>এবার আমরা ইনগুইনাল হারনিয়া নিয়ে আলোচনা করবোঃ</p>
<p><strong>ইনগুইনাল হারনিয়া কোথায় হয়?</strong></p>
<p>কুচকির মাঝামাঝি জত(১,২) ইঞ্চি উপরে এই হারনিয়ার প্রাথমিক অবস্থান।</p>
<p><strong>ইনগুইনাল হারনিয়ার উপস্বর্গঃ</strong></p>
<p>যে কোন বয়সেই এ রোগ হতে পারে</p>
<p>বেশির ভাগ রোগীই পুরুষ।</p>
<p>প্রাথমিক পর্যায়ে রোগীরা বলবে হাঁটা-চলা করলে, ভারী ব‘ উঠালে কিংবা হাঁচি-কাশি দিলে আমার কুচকির উপরটা গোলাকার বলের মত ফুলে উঠে এবং শুয়ে থাকলে এটা চলে যায়। মাঝে মাঝে শক্ত হয়ে যায় এবং ব্যথা হয়। কিছুদিন এভাবে চলার পর গোলাকার ফোলাটি ইসক্রুটামে (অন্ডকোষ থলিতে)- নেমে আসে এবং শুয়ে থাকলে আপনাআপনি পেটের ভিতর শব্দ করে চলে যায়। এভাবে ফোলাটি বড় হতে থাকে এবং মাঝে মাঝে চাপ দিয়ে ভিতরে ঢোকাতে হয়।</p>
<p><strong>চিকিৎসাঃ</strong> অপারেশনই হচ্ছে এই রোগের একমাত্র চিকিৎসা। ছোট এবং প্রাথমিক পর্যায়ে অপারেশন করানোই উত্তম। কারণ এতে খরচ কম, ডে কেইস হিসাবে চিকিৎসা করা যায়। মেস লাগানো ছাড়া করা যায় এবং জীবনের ঝুঁকি কম।</p>
<p><strong>অপারেশন না করলে কি কি অসবিধা হতে পারে?</strong></p>
<p>১। ধীরে ধীরে হারনিয়া আকার বড় হবে।</p>
<p>২। চিকিৎসা করা কঠিন ও ব্যায়সাধ্য হবে।</p>
<p>৩। বড় হারনিয়ার ক্ষেত্রে মেস লাগানোর প্রয়োজন হবে।</p>
<p>৪। অবস্ট্রাকটেড হারনিয়া হলে ইমারজেন্সী অপারেশন লাগবে এবং মৃত্যুর ঝুঁকি বাড়বে।</p>
<p><strong>ইনসিসনাল হারনিয়া/অপারেশনের স্থানে হারনিয়া</strong></p>
<p>অপারেশনের পর অপারেশনের স্থানে ইনসিসনাল হারনিয়া দেখা দেয়। রোগী বলবে আমার অপারেশন লাইনটির সম্পূর্ণ স্থানে অথবা আংশিক জুড়ে ফুলে উঠে। বিশেষ করে হাঁটা-চলা, হাঁচি-কাশি বা ভারী ব‘ উত্তোলন করলে এবং শুইলে দেখা যায় না।</p>
<p><strong>ইনসিসনাল হারনিয়া কেন হয়ঃ</strong></p>
<p>(১) ইমারজেন্সী অপারেশন করলে (২) অপারেশনের জায়গা পেকে গেলে এবং (৩) অদক্ষ সার্জন দ্বারা অপারেশন করলে এই রোগ হওয়ার সম্ভাবনা বেশি।</p>
<p><strong>উপসর্গঃ</strong> ইনসিসনাল হারনিয়ার রোগীর ইনগুইনাল হারনিয়া রোগীদের মত একই রকম উপসর্গ ও জটিলতা নিয়ে ডাক্তার-এর কাছে আসে।</p>
<p><strong>চিকিৎসাঃ</strong> সার্জারীই একমাত্র চিকিৎসা এবং অপারেশন না করলে ইনগুইনাল হারনিয়ার মত জটিলতার সৃষ্টি হতে পারে।</p>
<p><strong>অপারেশনের পর আবার হতে পারে কি না?</strong></p>
<p>অভিজ্ঞ সার্জন দ্বারা অপারেশন করিয়ে নিলে আবার হওয়ার সম্ভাবনা খুব কম। অতএব হারনিয়া হলে জরুরিভিত্তিতে সার্জনের শরণাপন্ন হওয়া আবশ্যক।</p>
<p>&#8212;&#8212;&#8212;&#8212;&#8212;&#8212;&#8212;&#8212;&#8211;<br />
ডাঃ এম এ হাসেম ভূঁঞা<br />
জেনারেল ও কলোরেক্টাল সার্জন, সহযোগী অধ্যাপক, সার্জারী ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল<br />
দৈনিক ইত্তেফাক, ১২ এপ্রিল ২০০৮</p>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://health.evergreenbangla.com/%e0%a6%b9%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a6%a8%e0%a6%bf%e0%a7%9f%e0%a6%be-%e0%a6%85%e0%a6%aa%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a7%87%e0%a6%b6%e0%a6%a8%e0%a7%87-%e0%a6%ad%e0%a6%be%e0%a6%b2%e0%a7%87%e0%a6%be-%e0%a6%b9/feed/</wfw:commentRss>
		</item>
		<item>
		<title>ক্লান্ত শরীরের জন্য খাবার</title>
		<link>http://health.evergreenbangla.com/%e0%a6%95%e0%a7%8d%e0%a6%b2%e0%a6%be%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%a4-%e0%a6%b6%e0%a6%b0%e0%a7%80%e0%a6%b0%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%9c%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%af-%e0%a6%96%e0%a6%be%e0%a6%ac%e0%a6%be/</link>
		<comments>http://health.evergreenbangla.com/%e0%a6%95%e0%a7%8d%e0%a6%b2%e0%a6%be%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%a4-%e0%a6%b6%e0%a6%b0%e0%a7%80%e0%a6%b0%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%9c%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%af-%e0%a6%96%e0%a6%be%e0%a6%ac%e0%a6%be/#comments</comments>
		<pubDate>Sat, 12 Apr 2008 05:22:21 +0000</pubDate>
		<dc:creator>admin</dc:creator>
		
		<category><![CDATA[সাধারণ স্বাস্থ্যকথা]]></category>

		<category><![CDATA[]]></category>

		<category><![CDATA[কার্বোহাইড্রেট]]></category>

		<category><![CDATA[ক্যালসিয়াম]]></category>

		<category><![CDATA[পটাশিয়াম]]></category>

		<category><![CDATA[পুষ্টি]]></category>

		<category><![CDATA[ভিটামিন]]></category>

		<category><![CDATA[শর্করা]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://health.evergreenbangla.com/%e0%a6%95%e0%a7%8d%e0%a6%b2%e0%a6%be%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%a4-%e0%a6%b6%e0%a6%b0%e0%a7%80%e0%a6%b0%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%9c%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%af-%e0%a6%96%e0%a6%be%e0%a6%ac%e0%a6%be/</guid>
		<description><![CDATA[খাদ্যকে বলা হয় দেহের জ্বালানির উৎস। খাদ্য থেকেই দেহের পুষ্টি এবং প্রয়োজনীয় শক্তি। কিন্তু দৈনন্দিন উপযুক্ত খাবারের অভাবে শুধু শারীরিক পুষ্টিরই ব্যাঘাত ঘটে না ক্লান্তি ও অবসাদে ভরে যেতে পারে দেহমন- হারিয়ে যেতে পারে স্বাভাবিক কর্ম-উদ্দীপনা। শরীরকে সতেজ এবং কর্মচঞ্চল রাখতে বিশেষজ্ঞরা বিশেষ বিশেষ খাবারের প্রতি একটু বেশি গুরুত্ব দিয়েছেন।
এগুলো হচ্ছেঃ
প্রোটিনসমৃদ্ধ খাবারঃ দৈহিক ক্লান্তি এবং [...]]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p>খাদ্যকে বলা হয় দেহের জ্বালানির উৎস। খাদ্য থেকেই দেহের পুষ্টি এবং প্রয়োজনীয় শক্তি। কিন্তু দৈনন্দিন উপযুক্ত খাবারের অভাবে শুধু শারীরিক পুষ্টিরই ব্যাঘাত ঘটে না ক্লান্তি ও অবসাদে ভরে যেতে পারে দেহমন- হারিয়ে যেতে পারে স্বাভাবিক কর্ম-উদ্দীপনা। শরীরকে সতেজ এবং কর্মচঞ্চল রাখতে বিশেষজ্ঞরা বিশেষ বিশেষ খাবারের প্রতি একটু বেশি গুরুত্ব দিয়েছেন।</p>
<p>এগুলো হচ্ছেঃ</p>
<p>প্রোটিনসমৃদ্ধ খাবারঃ দৈহিক ক্লান্তি এবং অবসন্নতা দূর করতে প্রোটিনসমৃদ্ধ খাবার খুবই জরুরী। মাছ-মাংস ছাড়াও এক্ষেত্রে সীম জাতীয় খাদ্য প্রোটিন সরবরাহের চমৎকার উৎস হতে পারে। বিভিন্ন ধরনের সীম, বরবটি, ছোলা, ডাল জাতীয় শস্য প্রোটিন সরবরাহের অনন্য উৎস। এসব খাবারে প্রোটিন ছাড়াও রয়েছে পর্যাপ্ত পরিমাণ আয়রন। ডাঃ ক্লার্কের মতে, আয়রনের অভাবে ক্লান্তি দেখা দিতে পারে। ক্যালিফোর্নিয়া ইউনিভার্সিটির মেডিসিনের অধ্যাপক ড· শেল্ডন বলেন যে আয়রন বা লৌহ উপাদান হচ্ছে শরীরে শক্তি জোগানোর মূল চাবিকাঠি। ক্লান্তি ও অবসাদ দূর করতে তাই প্রতিদিনের খাদ্য তালিকায় সীম জাতীয় শস্য এবং অন্যান্য প্রোটিনসমৃদ্ধ খাবার পর্যাপ্ত পরিমাণে থাকা চাই।</p>
<p>সবুজ রং-এর শাক-সবজিঃ সবুজ পাতাবিশিষ্ট শাক (সাইনাক) ম্যাগনেসিয়াম উপাদান সমৃদ্ধ। আমাদের মাংসপেশী শর্করা জাতীয় খাদ্যকে শক্তিতে রূপান্তরিত করার জন্য ম্যাগনেশিয়ামের ওপর নির্ভরশীল। মাংসপেশীকে মজবুত, দৃঢ় এবং কর্মক্ষম রাখতে সবুজ বা ঘন সবুজ রং-এর শাক-সবজি খুবই সহায়ক।</p>
<p>মাছের গুরুত্বঃ অধুনা মাছ একটি নিরাপদ, কোলস্টেরলমুক্ত প্রোটিনের অনন্য উৎস হিসাবে বিবেচিত। বেশি পরিমাণ কার্বোহাইড্রেট বা শর্করা জাতীয় খাদ্য অথচ প্রোটিনের ঘাটতি মস্তিষ্কে অবসাদ এবং ঘুম ঘুম ভাব সৃষ্টি করতে পারে। এক্ষেত্রে মাছকে বলা হয় মস্তিষ্কের খাবার। উচ্চ প্রোটিন সমৃদ্ধ মাছে বিশেষতঃ টুনাতে টাইরোসিন (ঞুৎড়ংরহব) নামের অ্যামাইনো এসিড রয়েছে। টাইরোসিন নর-ইপিনেফ্রাইন (ঘড়ৎ-বঢ়রহবঢ়যৎরহব) এবং ডোপামিন (উড়ঢ়ধসরহব) নামের মস্তিষ্কের নিউরোট্রান্সমিটার তৈরি করে থাকে। এই ট্রান্সমিটারগুলো মস্তিষ্কের একাগ্রতা, মনসংযোগ ক্ষমতা বা মানসিক দৃঢ়তা সংরক্ষণের জন্য সাহায্য করে। তাছাড়া মাছে হ্নদহিতকর ও মেগা-৩ ফ্যাটি এসিডও রয়েছে। আবার মাছের প্রোটিন মাংসপেশীর কর্মক্ষমতা সংরক্ষণেও জরুরী। বিশেষজ্ঞদের অভিমত আমাদের প্রতিদিনের খাদ্য তালিকায় কম-বেশী কিছু পরিমাণ মাছ থাকা প্রয়োজন।</p>
<p>ওটমিল (Oatmeal): ভাত, গস্নুকোজ বা চিনিসমৃদ্ধ আঁশবিহীন খাবার রক্তে দ্রুত শর্করা বৃদ্ধি করে আবার নিঃশেষিতও হয় ত্বরিত গতিতে। অন্যদিকে গম, যব, ভুট্টা বা ওটমিল ইত্যাদি আঁশসমৃদ্ধ হওয়ায় ধীরগতিতে অথচ অব্যাহতভাবে শক্তির যোগান দিতে থাকে। তাই এসব খাবারে সকালে নাস্তা খেয়ে সারাদিনের কর্মক্ষমতায় প্র‘তি নেয়া যায়।</p>
<p>ক্যালসিয়াম সমৃদ্ধ খাবারঃ মাসিকের শুরুতে বা মাসিক চলাকালীন সময়ে অনেক মহিলা অবসন্নতা এবং অস্বস্তিতে ভুগে থাকেন। বিশেষজ্ঞদের মতে, এ সময় ক্যালসিয়াম সমৃদ্ধ খাবার বিশেষত কম চর্বিযুক্ত ইয়োগাট, স্কিমড মিল্ক অবাঞ্ছিত অনেক উপসর্গ এড়াতে সাহায্য করে।</p>
<p>কলাঃ কলা চমৎকার ‘এনার্জি প্যাক’ হিসাবে কাজ করে। কলাতে রয়েছে উচ্চমাত্রার পটাশিয়াম যা ইলেক্ট্রোলাইট হিসাবে কাজ করে এবং পেশী ও স্নায়ুর স্বাভাবিক কার্যক্রম রক্ষা করে। পটাশিয়ামের অভাবে মাংসপেশীর ব্যথা, অনিয়মিত হ্নদস্পন্দন, মানসিক দ্বিধা, অবসাদগ্রস্ততা ইত্যাদি লক্ষণ দেখা দেয়। কলা দেহের ঙাবৎযবধঃরহম বা অতিরিক্ত তাপপ্রবণতাও দূর করে। ক্লান্তি ও অবসাদ রোধে প্রতিদিন একটি কলা খাওয়ার অভ্যাস খুবই ভাল।</p>
<p>বিশেষজ্ঞদের মতে, কলার পাশাপাশি নানা জাতীয় ফলমূল গ্রহণও শরীরকে সতেজ রাখে। অধিকাংশ ফলেই ভিটামিন ‘সি’ পর্যাপ্ত থাকে যা লৌহ বা আয়রনকে শোষণে সাহায্য করে। ফল দেহের পুষ্টি বৃদ্ধিকারী বিভিন্ন ভিটামিন ও খনিজ পদার্থেরও যোগানদাতা। ক্লান্তি ও অবসাদ দূরীকরণে ফলের গুরুত্ব অনস্বীকার্য।</p>
<p>জটিল কার্বোহাইড্রেট বা শর্করাঃ আমাদের প্রধান দুই আহারের মধ্যবর্তী সময়গুলোতে রুটি, নানরুটি, পরোটা ইত্যাদি শক্তির চমৎকার উৎস হতে পারে। পেশী ও লিভারে গস্নাইকোজেন হিসাবে জমা রেখে প্রয়োজন মাফিক এসব খাবার শক্তি দিয়ে থাকে।</p>
<p>&#8212;&#8212;&#8212;&#8212;&#8212;&#8211;<br />
কায়েদ-উয-জামান,<br />
সহকারী অধ্যাপক, জীববিজ্ঞান বিভাগ, শহীদ জিয়াউর রহমান কলেজ জামালপুর।<br />
দৈনিক ইত্তেফাক, ১২ এপ্রিল ২০০৮</p>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://health.evergreenbangla.com/%e0%a6%95%e0%a7%8d%e0%a6%b2%e0%a6%be%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%a4-%e0%a6%b6%e0%a6%b0%e0%a7%80%e0%a6%b0%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%9c%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%af-%e0%a6%96%e0%a6%be%e0%a6%ac%e0%a6%be/feed/</wfw:commentRss>
		</item>
		<item>
		<title>চোখের যত সমস্যা</title>
		<link>http://health.evergreenbangla.com/%e0%a6%9a%e0%a7%87%e0%a6%be%e0%a6%96%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%af%e0%a6%a4-%e0%a6%b8%e0%a6%ae%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a6%be/</link>
		<comments>http://health.evergreenbangla.com/%e0%a6%9a%e0%a7%87%e0%a6%be%e0%a6%96%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%af%e0%a6%a4-%e0%a6%b8%e0%a6%ae%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a6%be/#comments</comments>
		<pubDate>Sat, 12 Apr 2008 05:20:53 +0000</pubDate>
		<dc:creator>admin</dc:creator>
		
		<category><![CDATA[চক্ষু]]></category>

		<category><![CDATA[]]></category>

		<category><![CDATA[চোখ]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://health.evergreenbangla.com/%e0%a6%9a%e0%a7%87%e0%a6%be%e0%a6%96%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%af%e0%a6%a4-%e0%a6%b8%e0%a6%ae%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a6%be/</guid>
		<description><![CDATA[প্রশ্নঃ চশমা বানাবার পর তা কি আবার চক্ষু বিশেষজ্ঞ দিয়ে পরীক্ষা করানো উচিত?
উত্তরঃ হ্যাঁ। চশমা বানাবার পর আবারো তা পরীক্ষা করানো উচিত। চশমা আসলে একটি জটিল বিষয়। চশমা দেবার সময় কম্পিউটারে চক্ষু পরীক্ষা বা ম্যানুয়াল চক্ষু পরীক্ষা করে আবার রোগীকে অক্ষর পড়িয়ে পাওয়ার কনফার্ম করা হয়। ঐ পাওয়ারটি চশমার প্রেসক্রিপশনে লেখা হয়। চশমার দোকানে ঐ [...]]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p><strong>প্রশ্নঃ চশমা বানাবার পর তা কি আবার চক্ষু বিশেষজ্ঞ দিয়ে পরীক্ষা করানো উচিত?</strong></p>
<p>উত্তরঃ হ্যাঁ। চশমা বানাবার পর আবারো তা পরীক্ষা করানো উচিত। চশমা আসলে একটি জটিল বিষয়। চশমা দেবার সময় কম্পিউটারে চক্ষু পরীক্ষা বা ম্যানুয়াল চক্ষু পরীক্ষা করে আবার রোগীকে অক্ষর পড়িয়ে পাওয়ার কনফার্ম করা হয়। ঐ পাওয়ারটি চশমার প্রেসক্রিপশনে লেখা হয়। চশমার দোকানে ঐ প্রেসক্রিশন দেখে পাওয়ার তৈরি করেন এবং ফিটিং এর জন্য পাঠান। সুতরাং এতগুলো ধাপ পার হয়ে আসার সময় কোথাও কোন ভুল হলো কিনা সেটা দেখার জন্য চক্ষু বিশেষজ্ঞ বা তাঁর কোন সহযোগীকে দিয়ে পাওয়ার মাপার যন্ত্র ‘লেন্সমিটার’ এ পরীক্ষা করা উচিত।</p>
<p><strong>চশমা একবার পরলে তা কি আবার ছাড়া যায়?</strong></p>
<p>উত্তরঃ অনেকেই মনে করেন-চশমা একবার পরলে আর ছাড়া যায় না। আসলে কার চশমা লাগবে, কখন ছাড়া যাবে-এসবই নির্ভর করে ঐ ব্যক্তির পাওয়ার এর উপর। অনেক শিশুকে ছোটবেলায় মাথা ব্যথার জন্য সামান্য পাওয়ার দেয়া হয়। কিছুদিন ব্যবহারের পর তা নাও লাগতে পারে। অনেক শিশুর ছোটবেলায় প্লাস পাওয়ার লাগতে পারে, বড় হতে হতে তার ঐ পাওয়ার আর নাও লাগতে পারে। বেশিরভাগ শিশুই স্কুলে গিয়ে প্রথম ধরা পড়ে-দূরে বস্নাকবোর্ড দেখতে পারছে না।</p>
<p>এদেরকে মাইনাস পাওয়ার দেবার প্রয়োজন হয়। এরা যত বড় হবে-শরীরের সাথে সাথে চোখের আয়তনও বড় হয়। তখন চোখের পাওয়ারও স্বাবাবিক এর তুলনায় বেড়ে যায়। এদেরকে তখন ভালো দেখতে গেলে অতিরিক্ত বেড়ে যাওয়া পাওয়ার মাইনাস করতে হয় এবং চশমা অনেকদিন পরার প্রয়োজন হয়।</p>
<p>শিশু হোক বা বড় হোক, চোখ পরীক্ষা করে পাওয়ার এর প্রয়োজন হলে তা অবশ্যই ব্যবহার করা উচিত। তা না হলে চোখের রেটিনার উন্নতি হবে না এবং ৬/৬ দৃষ্টি তৈরি হবে না।</p>
<p>&#8212;&#8212;&#8212;&#8212;&#8212;&#8212;&#8212;&#8212;-<br />
ডাঃ এম নজরুল ইসলাম<br />
সহযোগী অধ্যাপক, চক্ষু বিভাগ, বারডেম হাসপাতাল, ঢাকা<br />
দৈনিক ইত্তেফাক, ১২ এপ্রিল ২০০৮</p>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://health.evergreenbangla.com/%e0%a6%9a%e0%a7%87%e0%a6%be%e0%a6%96%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%af%e0%a6%a4-%e0%a6%b8%e0%a6%ae%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a6%be/feed/</wfw:commentRss>
		</item>
		<item>
		<title>দাঁত ব্যথাঃ ফিলিং না রুট ক্যানেল</title>
		<link>http://health.evergreenbangla.com/%e0%a6%a6%e0%a6%be%e0%a6%81%e0%a6%a4-%e0%a6%ac%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a6%a5%e0%a6%be%e0%a6%83-%e0%a6%ab%e0%a6%bf%e0%a6%b2%e0%a6%bf%e0%a6%82-%e0%a6%a8%e0%a6%be-%e0%a6%b0%e0%a7%81%e0%a6%9f-%e0%a6%95/</link>
		<comments>http://health.evergreenbangla.com/%e0%a6%a6%e0%a6%be%e0%a6%81%e0%a6%a4-%e0%a6%ac%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a6%a5%e0%a6%be%e0%a6%83-%e0%a6%ab%e0%a6%bf%e0%a6%b2%e0%a6%bf%e0%a6%82-%e0%a6%a8%e0%a6%be-%e0%a6%b0%e0%a7%81%e0%a6%9f-%e0%a6%95/#comments</comments>
		<pubDate>Sat, 12 Apr 2008 05:20:07 +0000</pubDate>
		<dc:creator>admin</dc:creator>
		
		<category><![CDATA[দাঁত ও মাড়ি]]></category>

		<category><![CDATA[]]></category>

		<category><![CDATA[দন্তক্ষয়]]></category>

		<category><![CDATA[দাঁত]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://health.evergreenbangla.com/%e0%a6%a6%e0%a6%be%e0%a6%81%e0%a6%a4-%e0%a6%ac%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a6%a5%e0%a6%be%e0%a6%83-%e0%a6%ab%e0%a6%bf%e0%a6%b2%e0%a6%bf%e0%a6%82-%e0%a6%a8%e0%a6%be-%e0%a6%b0%e0%a7%81%e0%a6%9f-%e0%a6%95/</guid>
		<description><![CDATA[‘ডাক্তার সাহের দাঁতে প্রচণ্ড ব্যথা, নাওয়া-খাওয়া আজ ৩ দিন যাবৎ বন্ধ হয়ে গেছে, একটু ফিলিং করে দেনতো।’
আমাদের দেশে বেশিরভাগ রোগীর মুখেই এই কথাটি শোন যায়। তবে এ কথাটির মধ্যে যে ভুলটি রয়েছে, তা হলো দাঁতের সঠিক চিকিৎসা সম্বন্ধে রোগীর ভুল ধারণা। আর এই ধারণাটি হল দাঁতটিতে ফিলিং করা হবে নাকি রুট ক্যানেল করা হবে।
দাঁতে তিনটি [...]]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p>‘ডাক্তার সাহের দাঁতে প্রচণ্ড ব্যথা, নাওয়া-খাওয়া আজ ৩ দিন যাবৎ বন্ধ হয়ে গেছে, একটু ফিলিং করে দেনতো।’</p>
<p>আমাদের দেশে বেশিরভাগ রোগীর মুখেই এই কথাটি শোন যায়। তবে এ কথাটির মধ্যে যে ভুলটি রয়েছে, তা হলো দাঁতের সঠিক চিকিৎসা সম্বন্ধে রোগীর ভুল ধারণা। আর এই ধারণাটি হল দাঁতটিতে ফিলিং করা হবে নাকি রুট ক্যানেল করা হবে।</p>
<p>দাঁতে তিনটি স্তর থাকে। প্রথম স্তর এনামেল, দ্বিতীয় স্তর ডেন্টিন এবং সর্বশেষ এবং মাঝের স্তরের নাম পাল্প বা দন্তমজ্জা। যখন দাঁতে ক্যারিজ বা দন্তক্ষয় হতে শুরু করে তখন প্রথমে তা এনামেল দিয়ে শুরু করে যথাক্রমে নিচের দিকে বিস্তার লাভ করে। এই দন্তক্ষয় যখন ডেন্টিন পর্যন্ত পৌঁছায় তখন দাঁতে ফিলিং দিয়ে দাঁতটি সংরক্ষণ করা সম্ভব হয়। এক্ষেত্রেও কথা আছে যদি দেখা যায় দাঁতটি বেশি Sensative -এর প্রায় দন্তমজ্জার কাছাকাছি তখন দাঁতে ফিলিং এর নিচে Subbase হিসাবে এরকম material দেয়া হয় যাতে ঠান্ডা, গরম এবং অন্যান্য খাবারের অনুভূতি বেশি না হয় এবং Secondary Dentine Form করে দন্তমজ্জা রক্ষা করে।</p>
<p>তারপর Permanant Filling দিয়ে দেয়া হয়। কিন্তু যদি দেখা যায় দাঁতের সংক্রমণ ডেন্টিনকে ছাড়িয়ে Pulp বা দন্তমজ্জাকে ছুঁয়ে গেছে সেক্ষেত্রে আর Filling করা চলবে না। যদি কেউ ভুল করে কোন ফিলিং দেয়, তবে সেখানে ব্যথা আরো বেশি হবে দাঁতের মধ্যকার পচন ব‘গুলো বাইরে বের হতে না পেরে দাঁতের গোড়া দিয়ে জমা হবে এবং তা ফুলে যেতে পারে এবং Sincus দিয়ে তার পুঁজ বের হয়ে আসবে। যা হোক এ ক্ষেত্রে তখন Patient-এর সংশিস্নষ্ট দাঁতে Root Canal করতে হবে। Root Canal হচ্ছে ঐ দাঁতের উপযুক্ত Treatment এক্ষেত্রে Root Canal -এর আগে ঐ দাঁতের একটা এক্সরে করে দাঁতের অবস্থা সম্বন্ধে ভালভাবে বুঝে নিতে হবে।</p>
<p>প্রিয় পাঠকবৃন্দ এবারে বুঝলেন তো রুট ক্যানেল এবং ফিলিং-এর পার্থক্য। রোগী তো আর জানেন না তার দাঁতের উপযুক্ত চিকিৎসা কোনটি তাই এটা আমরা যারা ডেন্টাল সার্জন আছি, তারাই বুঝব রোগীর দাঁতের কাজ কি হবে। তবে বর্তমানে অনেক কোয়াক আছে যারা নিজেকে ডাক্তার বলে দাবি করে, তাদের কাছে না গিয়ে একজন ডেন্টাল সার্জনের পরামর্শ নিয়ে আপনার দাঁতের সুচিকিৎসা করান। সময় থাকতে দাঁতকে বাঁচান-দাঁতকে মর্যাদা দিন।</p>
<p>&#8212;&#8212;&#8212;&#8212;&#8212;&#8212;&#8212;&#8212;<br />
ডাঃ নাহিদ ফারজানা,<br />
সিনিয়র লেকচারাল, সিটি ডেন্টাল কলেজ এন্ড হস্‌পিটাল, চেম্বারঃ নাহিদ ডেন্টাল কেয়ার, ২১৬/বি, এলিফ্যান্ট রোড, ঢাকা-১২০৫।<br />
দৈনিক ইত্তেফাক, ১২ এপ্রিল ২০০৮</p>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://health.evergreenbangla.com/%e0%a6%a6%e0%a6%be%e0%a6%81%e0%a6%a4-%e0%a6%ac%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a6%a5%e0%a6%be%e0%a6%83-%e0%a6%ab%e0%a6%bf%e0%a6%b2%e0%a6%bf%e0%a6%82-%e0%a6%a8%e0%a6%be-%e0%a6%b0%e0%a7%81%e0%a6%9f-%e0%a6%95/feed/</wfw:commentRss>
		</item>
		<item>
		<title>রহস্যময় একটি রোগের কথা</title>
		<link>http://health.evergreenbangla.com/%e0%a6%b0%e0%a6%b9%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a6%ae%e0%a7%9f-%e0%a6%8f%e0%a6%95%e0%a6%9f%e0%a6%bf-%e0%a6%b0%e0%a7%87%e0%a6%be%e0%a6%97%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%95%e0%a6%a5%e0%a6%be/</link>
		<comments>http://health.evergreenbangla.com/%e0%a6%b0%e0%a6%b9%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a6%ae%e0%a7%9f-%e0%a6%8f%e0%a6%95%e0%a6%9f%e0%a6%bf-%e0%a6%b0%e0%a7%87%e0%a6%be%e0%a6%97%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%95%e0%a6%a5%e0%a6%be/#comments</comments>
		<pubDate>Wed, 09 Apr 2008 05:55:33 +0000</pubDate>
		<dc:creator>admin</dc:creator>
		
		<category><![CDATA[সাধারণ স্বাস্থ্যকথা]]></category>

		<category><![CDATA[]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://health.evergreenbangla.com/%e0%a6%b0%e0%a6%b9%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a6%ae%e0%a7%9f-%e0%a6%8f%e0%a6%95%e0%a6%9f%e0%a6%bf-%e0%a6%b0%e0%a7%87%e0%a6%be%e0%a6%97%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%95%e0%a6%a5%e0%a6%be/</guid>
		<description><![CDATA[রাত বয়ে যায়, আসে না তো ঘুম&#8230;
শুয়েছেন, কিন্তু ঘুম হবে কী করে? পা দুটো চঞ্চল। নিজের ইচ্ছাতেই অস্থির হচ্ছে। নিয়ন্ত্রণ করা যাচ্ছে না। ক্লান্ত-শ্রান্ত শুয়ে পড়েছেন শয্যায়। চোখে ঘুম এলো বলে, কিন্তু হঠাৎ করে পা দুটোতে অদ্ভুত একটি অনুভূতি। পায়ের পেশিগুলোতে চুলকানি ভাব, ছমছমে অনুভূতি, কী যেন গুটি গুটি করে এগোচ্ছে পায়ের পেশি বরাবর&#8230; হামাগুড়ি [...]]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p>রাত বয়ে যায়, আসে না তো ঘুম&#8230;<br />
শুয়েছেন, কিন্তু ঘুম হবে কী করে? পা দুটো চঞ্চল। নিজের ইচ্ছাতেই অস্থির হচ্ছে। নিয়ন্ত্রণ করা যাচ্ছে না। ক্লান্ত-শ্রান্ত শুয়ে পড়েছেন শয্যায়। চোখে ঘুম এলো বলে, কিন্তু হঠাৎ করে পা দুটোতে অদ্ভুত একটি অনুভূতি। পায়ের পেশিগুলোতে চুলকানি ভাব, ছমছমে অনুভূতি, কী যেন গুটি গুটি করে এগোচ্ছে পায়ের পেশি বরাবর&#8230; হামাগুড়ি দিয়ে চলছে কিছু পা দিয়ে&#8230; শিহরণ জাগছে মাঝে মাঝে&#8230;। আর যত শক্ত করে পা দুটো স্থির করতে চেষ্টা করা হলো, তত জোরালো করে সেই অনুভূতিগুলো ফিরে আসছে পায়ে।</p>
<p>দুর্ভাগ্যবশত কিছু লোকের মধ্যে এটি দেখা যায়, তাদের ওপর এ নির্যাতনটি চলে, এই দুর্বিপাক রোগটির নাম হলো­ জবংষবংং ষবম ংুহফৎড়সব (জখঝ). একে আমরা ‘আরএলএস’ বলবো। আক্ষরিক বা প্রতিশব্দ এর নাই বা করলাম।</p>
<p>আরএলএস একটি স্নায়ুবিক রোগ, যে রোগে পা দুটো প্রচণ্ড অস্থির হয়ে ওঠে, পা দুটো নড়ানোর জন্য প্রবল, অদম্য ইচ্ছা মনে জেগে ওঠে। এ রোগের কথা তেমন প্রচারিত নয়। রোগীরা যখন অভিযোগ করেন সাধারণ চিকিৎসাজীবীরা অনেকে এর জন্য পরামর্শ দিতে পারেন না। তাই আরএলএস’র রোগীরা অনাবশ্যক যন্ত্রণার শিকার হন, তবে এ রোগের চিকিৎসাও আছে।</p>
<p>‘টুইচিং লেগস’­ আরএলএস স্ত্রী-পুরম্নষ উভয়ের মধ্যে সমানভাবেই ঘটতে পারে। বয়স বাড়লে এর আশঙ্কা ও ঝুঁকি বাড়ে। বিপর্যয়ের অনুভূতি অনেক সময় কেবল দুটো পা নয়, বাহুকেও আচ্ছন্ন করতে পারে। সন্ধ্যাবেলায় বা রাতে শোয়ার সময় এর আবির্ভাব ঘটে। তবে দিনের বেলায়ও হঠাৎ এর আক্রমণ ঘটতে পারে। বিশ্রাম নেয়ার সময় এর আবির্ভাবের আশঙ্কা বেশি। ঘুরে বেড়ালে বা হাঁটলে এ অস্বস্তি কমে, আবার বসে থাকলে বা শুয়ে থাকলে এই আক্রমণ ফের শুরম্ন হয়ে যায়।</p>
<p>অনেকে নিজেরা বা তাদের শয্যাসঙ্গীরা অভিযোগ করেন রাতে হঠাৎ করে অনিচ্ছাপ্রসূত পা দুটো প্রবল নড়াচড়া শুরম্ন হয়ে যায়। কারো হয় মাঝে মাঝে, কারো হয় প্রতি রাতে। বাল্টিমোরে জনহপকিনস বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন গবেষক ডক্টর রিচার্ড এলেন বলেন, উপসর্গগুলো আগে অনুভূত হলে যেমন চলি্নশ বছর হওয়ার আগে, তখন এগুলো মৃদু প্রকৃতির হয় আর বয়স যত বাড়তে থাকে, অবস্থা তত শোচনীয় হতে থাকে।<br />
জীবনের পরবর্তী সময়ে পঞ্চাশ বছর ঊর্ধ্বে হলে, উপসর্গ শুরম্নতেই প্রচণ্ড হয়ে থাকে।<br />
কী জন্য হয় আরএলএস?</p>
<p>আরএলএস কেন হয় তা জানা যায়নি। তবে বংশগত, রক্তশূন্যতা, স্নায়ুর রোগ, কিডনি বিকল ও ডায়াবেটিস এ রোগের সঙ্গী হতে পারে।</p>
<p>তবে বিশেষজ্ঞরা একটি কথা বলছেন যে, আরএলএস মনোরোগ নয়। জনহপকিনস-এর গবেষক ড. রিচার্ড এলেন বলেন, çডব হড় িশহড় িপষবধৎষুঃযধঃ রঃ রং ধ নরড়ষড়মরপধষ ফরংড়ৎফবৎ.ÿ</p>
<p>এমন কিছু তথ্য আছে, মগজের রাসায়নিক ডোপামিন ঘাটতি, এ রোগে ভূমিকা রাখতে পারে। আর একটি তথ্য হলো, শরীর যে পদ্ধতিতে লোহাকে প্রক্রিয়াজাত করে সেই পদ্ধতিতে সমস্যা হলে আরএলএস’র সাথে সম্পর্কিত থাকতে পারে।</p>
<p>ডা.</p>
<p>এলেন বলেন, মনে হয় একধরনের লোহা ঘাটতি চলতে থাকে, মগজে এবং সুষুমা তরলে লোহার ঘাটতি হয় আরএলএস রোগীদের।</p>
<p>আরএলএস নিয়ে জীবনযাপন<br />
চিকিৎসা না হলে এ রোগীরা অনিদ্রা রোগে ভোগেন, ক্রনিক হয়ে যায় পরবর্তী সময়ে। পরে শরীর হয় ক্লান্ত-শ্রান্ত স্থির হয়ে বসে থাকতে পারে না, কাজকর্ম, পারিবারিক সম্পর্ক ও জীবনের গুণগত মানের ওপর বিপর্যয় ঘটে যায়। তেমন উপসর্গ হলে রোগী সিনেমা হলে ছবি দেখতে পারে না ইচ্ছা করলেও, দূরপাল্নার ভ্রমণে যেতে পারে না, কারণ এত দীর্ঘ সময় স্থির হয়ে থাকার উপায় নেই। পা নড়াচড়ার ইচ্ছা প্রবল হয়ে ওঠে। রেস্টলেস লেগ সিনড্রোম ফাউন্ডেশনের ডিরেক্টর অব রিসার্চ অ্যান্ড কমিউনিকেশন্স কেরি মারি বলেন, রাতের পর রাত এরকম চলতে থাকে, নির্ঘুম রাত, পায়ে অস্থিরতা, অনাবশ্যক শিহরণ­ মনে হয় আর কোনো আশা নেই। ‘মানুষ ঘুরেফিরে বেড়াতে পারে না, ভ্রমণ করতে পারে না, দূরে থাকে এমন স্বজনের কাছে যেতে পারেন না, অনেক সময় কাজ ছেড়ে দেন, অবসর নিয়ে নেন।’</p>
<p>সুখবর হলো­ ঠিকমতো চিকিৎসা নিলে উপসর্গ বেশ আরাম হয়। পা দুটোর মধ্যে যদি চুলকানি, চুলবুল করা অনুভূতি, পায়ের চামড়ার নিচে কী যেন হামাগুড়ি দিয়ে চলছে, এমন হলে ডাক্তার দেখানো ভালো। আরএলএস সম্বন্ধে বিশেষজ্ঞ এমন ডাক্তার দেশেও আছেন।</p>
<p>দু’পায়ের ভেতরে পিঁপড়ার দল যেন সারি সারি চলছে। কী যেন একটা কিছু পায়ে চামড়ার নিচে, আরো গভীরে হামাগুড়ি দিয়ে চলছে, ঝিনঝিন অনুভূতি, খিঁচুনি ভাব, শিহরণ, আরএলএস’র এমন সব উপসর্গ। স্নায়বিক বৈকল্য। পা দুটো নড়াচড়ার জন্য মনে অদম্য ইচ্ছা জেগে ওঠে।</p>
<p>মাসে পাঁচবার বা এর বেশি যদি এমন হিসহিসে অনুভূতি হয়, তাহলে ডাক্তার দেখাবেন।</p>
<p>আরএলএস হলে সেই সাথে দেহে অন্য কোনো রোগ আছে কি না তা চেকআপ করে নেয়া ভালোঃ নির্দিষ্ট করে টেস্ট করে আরএলএস বোঝা যায় না। তবে রক্তশূন্যতা আছে কি না, কিডনির রোগ, ডায়াবেটিস আছে কি না তা চেক করা যায়। এসব উপসর্গ নিয়ন্ত্রণে থাকলে রোগের আরাম হয়। যেমন­ যদি সেরাম ফেরিটিন মান কমে যায়­ দেহের লোহার পরিমাণ কত তা জানা যায় (&lt;৫০ মাইক্রোগ্রাম/লিটার) লোহা সাপি্নমেন্ট নিলে আরএলএস যথেষ্ট আরাম হয়।</p>
<p>ঘুরে বেড়ানঃ স্থির হয়ে শুয়ে বসে থাকা এবং পা নড়ানোর জন্য মনের প্রবল ইচ্ছার বিরম্নদ্ধে লড়াই করে লাভ নেই। মৃদু উপসর্গে, কী করবেন? উঠে দাঁড়ান, ঘুরে বেড়ান­ বেশ আরাম হবে।</p>
<p>স্ট্রেচিং করম্ননঃ যে পেশিগুলো আক্রান্ত হচ্ছে সেই পেশিগুলো টানটান করলে, ম্যাসাজ করলে, আরএলএস আরাম হতে পারে। যেমন দেয়ালে পিঠ ঠেকিয়ে পা দুটো কাঁধ সমান ফাঁক করে দাঁড়ান। অদৃশ্য কোনো চেয়ারে যেন বসেছেন, হাঁটু ও কোমর তেমন ভান করে বসুন।</p>
<p>গোসল করম্নন উষ্ণ পানিতেঃ উষ্ণ পানিতে গোসল করলে বেশ আরাম হতে পারে।<br />
ব্যায়াম করম্ননঃ নিয়মিত ব্যায়াম করলে স্বাস্থ্যের ওপর হিতকরী ফল তো আছেই আরএলএসও আরাম হয়। সপ্তাহে পাঁচ দিন ৩০-৪০ মিনিট মাঝারি মাপের ব্যায়াম করম্নন। হৃদপিণ্ডও সতেজ সবল হবে।</p>
<p>মদ ও কফি বর্জন করম্ননঃ মদ্য পান ও কফি পান বর্জন করম্নন। ধূমপান করবেন না।</p>
<p>ওষুধ খাবেন ভেবে চিন্তে কিছু কিছু ওষুধ যেমন এন্টিহিস্টামিন ওষুধ, ঠাণ্ডা সর্দির ওষুধ, বিষণ্নতাবোধী ওষুধ আরএলএস’র প্রকোপ বাড়িয়ে দিতে পারে।</p>
<p>নিদ্রাসূচি বদলাতে পারেঃ আরএলএস’র আক্রামণ ঘটে সাধারণত দিন বা রাতের নির্দিষ্ট সময়ে। তাই নিদ্রাসূচি এমন সময়ে করতে পারেন যখন এ রোগের উপসর্গের আবির্ভাব সাধারণত ঘটে না।</p>
<p>ডাক্তারের পরামর্শঃ ওষুধ দিতে পারেন ডাক্তার আরামের জন্য। তবে সম্পূর্ণ নিরাময় হবে ভাবা ঠিক নয়। আরাম হবে মাত্র। তাই ডাক্তারের সাথে লেগে থাকুন।</p>
<p>&#8212;&#8212;&#8212;&#8212;&#8212;&#8211;<br />
অধ্যাপক ডা. শুভাগত চৌধুরী<br />
ডাইরেক্টর, ল্যাবরেটরি সার্ভিসেস, বারডেম, ঢাকা<br />
দৈনিক নয়া দিগন্ত, ৬ এপ্রিল ২০০৮</p>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://health.evergreenbangla.com/%e0%a6%b0%e0%a6%b9%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a6%ae%e0%a7%9f-%e0%a6%8f%e0%a6%95%e0%a6%9f%e0%a6%bf-%e0%a6%b0%e0%a7%87%e0%a6%be%e0%a6%97%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%95%e0%a6%a5%e0%a6%be/feed/</wfw:commentRss>
		</item>
		<item>
		<title>গলার সমস্যা</title>
		<link>http://health.evergreenbangla.com/%e0%a6%97%e0%a6%b2%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%b8%e0%a6%ae%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a6%be/</link>
		<comments>http://health.evergreenbangla.com/%e0%a6%97%e0%a6%b2%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%b8%e0%a6%ae%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a6%be/#comments</comments>
		<pubDate>Wed, 09 Apr 2008 05:55:11 +0000</pubDate>
		<dc:creator>admin</dc:creator>
		
		<category><![CDATA[নাক কান গলা]]></category>

		<category><![CDATA[সমস্যা ও সমাধান]]></category>

		<category><![CDATA[]]></category>

		<category><![CDATA[গলা]]></category>

		<category><![CDATA[থেরাপি]]></category>

		<category><![CDATA[শ্বাসকষ্ট]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://health.evergreenbangla.com/%e0%a6%97%e0%a6%b2%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%b8%e0%a6%ae%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a6%be/</guid>
		<description><![CDATA[সমস্যাঃ আমার বাবার বয়স ৫১ বছর। দুই বছর ধরে গলার ক্যান্সারে ভুগছেন। গত বছর ক্যান্সার শনাক্ত হওয়ার পর তাঁকে একজন অনকোলজি বিশেষজ্ঞের তত্ত্বাবধানে প্রথমে তিন কিস্তি (১৫-২০ দিন পরপর তিনটি করে) কেমোথেরাপি এবং পরে এক মাস সপ্তাহে টানা পাঁচ দিন রেডিওথেরাপি ও এক দিন কেমোথেরাপি দেওয়া হয়। কিন্তু তাঁর অবস্থার উন্নতি না হয়ে দিন দিন [...]]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p>সমস্যাঃ আমার বাবার বয়স ৫১ বছর। দুই বছর ধরে গলার ক্যান্সারে ভুগছেন। গত বছর ক্যান্সার শনাক্ত হওয়ার পর তাঁকে একজন অনকোলজি বিশেষজ্ঞের তত্ত্বাবধানে প্রথমে তিন কিস্তি (১৫-২০ দিন পরপর তিনটি করে) কেমোথেরাপি এবং পরে এক মাস সপ্তাহে টানা পাঁচ দিন রেডিওথেরাপি ও এক দিন কেমোথেরাপি দেওয়া হয়। কিন্তু তাঁর অবস্থার উন্নতি না হয়ে দিন দিন অবনতি হচ্ছে। দুই মাস আগে তাঁর রেডিওথেরাপি শেষ হয়েছে এবং বর্তমানে তাঁর চিকিৎসা বন্ধ আছে। এখন আমাদের করণীয় কী? বাংলাদেশে কি গলার ক্যান্সারের চিকিৎসা করা যায়?</p>
<p>মো. আলমগীর খন্দকার<br />
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়</p>
<p>পরামর্শঃ শ্বাসনালি ও খাদ্যনালির উপরিভাগে অবস্থিত মুখগহ্বর, ফ্যারিংস, ইসোফেগাস, ল্যারিংস, নাক ও সাইনাসের ক্যান্সারকে একসঙ্গে থ্রোট বা গলার ক্যান্সার হিসেবে ধরা হয়।</p>
<p>আপনার বাবার ক্যান্সারের সঠিক স্থান ও হিস্টোপ্যাথলজি টাইপ জানলে পরামর্শ দিতে সুবিধা হতো।</p>
<p>টিউমারের আকার, লিমফ নোডে আক্রান্ত হওয়া এবং রোগ শরীরের বিভিন্ন স্থানে ছড়িয়ে পড়ার ওপর নির্ভর করে ক্যান্সারকে মূলত চারটি স্তরে ভাগ করা যায়। প্রথম ও দ্বিতীয় স্তরকে প্রাথমিক এবং তৃতীয় ও চতুর্থ স্তরকে অ্যাডভান্সড স্টেজ হিসেবে গণ্য করা হয়।<br />
সাধারণত গলার চিকিৎসায় ক্যান্সারের প্রাথমিক পর্যায়ে শুধু সার্জারি অথবা রেডিওথেরাপি দেওয়া হয়। অ্যাডভান্সড স্টেজে যৌথভাবে সার্জারি ও রেডিওথেরাপি প্রয়োজন হয়। এ ছাড়া কিছু ক্ষেত্রে কেমোথেরাপিও ব্যবহার করা যেতে পারে।</p>
<p>এসব চিকিৎসায় যে রোগগুলো ভালো হওয়ার সম্ভাবনা থাকে, সেগুলোতে কিউরেটি চিকিৎসা দেওয়া হয়। যেখানে রোগ একেবারে ভালো করা সম্ভব হবে না বলে মনে হয়, সেখানে ব্যথা, শ্বাসকষ্ট, খাদ্য গিলতে কষ্ট ইত্যাদি উপসর্গ কমানোর জন্য প্যালিএটিভ চিকিৎসা দেওয়া হয়।</p>
<p>বাংলাদেশে অনেক ক্যান্সার সম্পূর্ণ ভালো হয়ে যায়। প্রাথমিক পর্যায়ে ক্যান্সার শনাক্ত করে চিকিৎসা দিলে ফলাফল সন্তোষজনক হতে পারে। রোগ দেরিতে ধরা পড়লে বা ছড়িয়ে গেলে ক্যান্সার ভালো করা কঠিন হয়ে যায়।</p>
<p>এসব চিকিৎসার ফলাফলে ভিন্নতা দেখা দিলেও হতাশ না হয়ে সব ক্যান্সারের চিকিৎসা নেওয়া উচিত।</p>
<p>আপনার বাবার চিকিৎসার জন্য আবার নাক, কান, গলা বিশেষজ্ঞ ও ক্যান্সার বিশেষজ্ঞকে দেখিয়ে সিদ্ধান্ত নিতে হবে।</p>
<p>&#8212;&#8212;&#8212;&#8212;&#8212;&#8212;&#8211;<br />
পরামর্শ দিয়েছেন<br />
অধ্যাপক ডা. আবুল হাসনাত জোয়ারদার<br />
নাক কান গলা বিশেষজ্ঞ<br />
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়, ঢাকা<br />
প্রথম আলো, ৯ এপ্রিল ২০০৮</p>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://health.evergreenbangla.com/%e0%a6%97%e0%a6%b2%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%b8%e0%a6%ae%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a6%be/feed/</wfw:commentRss>
		</item>
		<item>
		<title>স্বাস্থ্যবিষয়ক বই</title>
		<link>http://health.evergreenbangla.com/%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%a5%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%b7%e0%a7%9f%e0%a6%95-%e0%a6%ac%e0%a6%87/</link>
		<comments>http://health.evergreenbangla.com/%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%a5%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%b7%e0%a7%9f%e0%a6%95-%e0%a6%ac%e0%a6%87/#comments</comments>
		<pubDate>Wed, 09 Apr 2008 05:53:07 +0000</pubDate>
		<dc:creator>admin</dc:creator>
		
		<category><![CDATA[সাধারণ স্বাস্থ্যকথা]]></category>

		<category><![CDATA[]]></category>

		<category><![CDATA[উচ্চ রক্তচাপ]]></category>

		<category><![CDATA[কাশি]]></category>

		<category><![CDATA[চোখ]]></category>

		<category><![CDATA[ডায়াবেটিস]]></category>

		<category><![CDATA[পা]]></category>

		<category><![CDATA[বুক]]></category>

		<category><![CDATA[মদ্যপান]]></category>

		<category><![CDATA[রক্ত]]></category>

		<category><![CDATA[শিশু]]></category>

		<category><![CDATA[সার্জারি]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://health.evergreenbangla.com/%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%a5%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%b7%e0%a7%9f%e0%a6%95-%e0%a6%ac%e0%a6%87/</guid>
		<description><![CDATA[বইয়ের নামঃ ম্যানুয়াল অব ফিজিক্যাল মেডিসিন অ্যান্ড রিহ্যাবিলিটেশন
লেখকঃ ডা. মো. শহীদুর রহমান
পৃষ্ঠাসংখ্যাঃ ২৪৬
দামঃ ২০০ টাকা
প্রকাশকঃ তাসলিমা খান, ১২/এ ইস্কাটন গার্ডেন রোড, ঢাকা।
ম্যানুয়াল অব ফিজিক্যাল মেডিসিন অ্যান্ড রিহ্যাবিলিটেশন বইটি সম্প্রতি প্রকাশিত হয়েছে। বইটি মূলত স্মাতক পর্যায়ের চিকিৎসাবিজ্ঞানের শিক্ষার্থীদের জন্য লেখা।
তবে ফিজিক্যাল মেডিসিনের বিষয়ের শিক্ষার্থী এবং সাধারণ চিকিৎসকদেরও বইটি কাজে আসবে। বইটিতে বিভিন্ন ধরনের বাতরোগ, ব্যথা ও [...]]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p>বইয়ের নামঃ ম্যানুয়াল অব ফিজিক্যাল মেডিসিন অ্যান্ড রিহ্যাবিলিটেশন<br />
লেখকঃ ডা. মো. শহীদুর রহমান<br />
পৃষ্ঠাসংখ্যাঃ ২৪৬<br />
দামঃ ২০০ টাকা<br />
প্রকাশকঃ তাসলিমা খান, ১২/এ ইস্কাটন গার্ডেন রোড, ঢাকা।</p>
<p>ম্যানুয়াল অব ফিজিক্যাল মেডিসিন অ্যান্ড রিহ্যাবিলিটেশন বইটি সম্প্রতি প্রকাশিত হয়েছে। বইটি মূলত স্মাতক পর্যায়ের চিকিৎসাবিজ্ঞানের শিক্ষার্থীদের জন্য লেখা।<br />
তবে ফিজিক্যাল মেডিসিনের বিষয়ের শিক্ষার্থী এবং সাধারণ চিকিৎসকদেরও বইটি কাজে আসবে। বইটিতে বিভিন্ন ধরনের বাতরোগ, ব্যথা ও স্মায়ুরোগের সমন্বিত চিকিৎসা-পদ্ধতি নিয়ে লেখা হয়েছে। সব রোগের চিকিৎসা যে শুধু ওষুধ নয়, সে ব্যাপারে বইটিতে বিশেষভাবে বলা হয়েছে। বইটি পাওয়া যাবে হাফিজ বুক সেন্টার, পরশ পাবলিশার্স, ঢাকা নিউমার্কেট এবং ঢাকা মেডিকেল কলেজের ফিজিক্যাল মেডিসিন বিভাগে।</p>
<p>বইয়ের নামঃ চোখের সাধারণ সমস্যা, ১০০ প্রশ্ন ও উত্তর<br />
লেখকঃ ডা. এম নজরুল ইসলাম<br />
পৃষ্ঠাসংখ্যাঃ ৭৯<br />
দামঃ ১২০ টাকা<br />
প্রকাশকঃ অন্যপ্রকাশ, ৩৮/২-ক বাংলাবাজার, ঢাকা।</p>
<p>চোখের বিভিন্ন সমস্যার কথা জানার আগ্রহ আমাদের অনেকেরই। কম্পিউটার ব্যবহারে চোখের সমস্যা হওয়া, কাছে বসে টিভি দেখলে চোখের সমস্যা, শিশুদের চোখ কখন পরীক্ষা করানো উচিত, ফ্যাকো সার্জারি কী, অলস চোখ কাকে বলে, ডায়াবেটিসে চোখ অন্ধ হয় কেন, চোখে মাঝেমধ্যে ব্লাক আউট হওয়ার কারণ, চোখে চুন পড়লে তার চিকিৎসা, কোটর থেকে চোখ বেরিয়ে আসা, উচ্চ রক্তচাপে চোখের জটিলতা, ৪০ বছর বয়সে চশমা লাগে কেন, মদ্যপানে চোখের ক্ষতি, কী কী ওষুধ চোখের জন্য ক্ষতিকর, চোখের কৃত্রিম লেন্স কোনটি ভালো-এ রকম ১০০ প্রশ্নের উত্তর দেওয়া হয়েছে চোখের সাধারণ সমস্যা, ১০০ প্রশ্ন ও উত্তর বইটিতে।</p>
<p>চক্ষুবিজ্ঞানের কয়েকটি আধুনিক আবিষ্কার ল্যাসিক সার্জারি, ছানির চিকিৎসায় মাল্টিফোকাল কৃত্রিম লেন্স, চক্ষুরোগ নির্ণয়ে আধুনিক পরীক্ষা, রঙিন কন্টাক্ট লেন্স এবং কম্পিউটার ভিশন সিনড্রম সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে বইটিতে। চোখের সাধারণ সমস্যাগুলোর প্রতিরোধ ও প্রতিকার জানার জন্য বইটি কাজে আসবে।</p>
<p>&#8212;&#8212;&#8212;&#8212;&#8212;&#8212;<br />
প্রথম আলো, ৯ এপ্রিল ২০০৮</p>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://health.evergreenbangla.com/%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%a5%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%b7%e0%a7%9f%e0%a6%95-%e0%a6%ac%e0%a6%87/feed/</wfw:commentRss>
		</item>
		<item>
		<title>হাঁটুর হাড়ের গাঁথুনি</title>
		<link>http://health.evergreenbangla.com/%e0%a6%b9%e0%a6%be%e0%a6%81%e0%a6%9f%e0%a7%81%e0%a6%b0-%e0%a6%b9%e0%a6%be%e0%a7%9c%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%97%e0%a6%be%e0%a6%81%e0%a6%a5%e0%a7%81%e0%a6%a8%e0%a6%bf/</link>
		<comments>http://health.evergreenbangla.com/%e0%a6%b9%e0%a6%be%e0%a6%81%e0%a6%9f%e0%a7%81%e0%a6%b0-%e0%a6%b9%e0%a6%be%e0%a7%9c%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%97%e0%a6%be%e0%a6%81%e0%a6%a5%e0%a7%81%e0%a6%a8%e0%a6%bf/#comments</comments>
		<pubDate>Wed, 09 Apr 2008 05:51:53 +0000</pubDate>
		<dc:creator>admin</dc:creator>
		
		<category><![CDATA[হাড়]]></category>

		<category><![CDATA[]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://health.evergreenbangla.com/%e0%a6%b9%e0%a6%be%e0%a6%81%e0%a6%9f%e0%a7%81%e0%a6%b0-%e0%a6%b9%e0%a6%be%e0%a7%9c%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%97%e0%a6%be%e0%a6%81%e0%a6%a5%e0%a7%81%e0%a6%a8%e0%a6%bf/</guid>
		<description><![CDATA[আমাদের শরীরে ২০৬টি হাড় রয়েছে। এই হাড়গুলো বিভিন্ন বন্ধনী দিয়ে পরস্পরের সঙ্গে যুক্ত। শরীরের যে স্থানে দুটো হাড় বা অস্থি একে অপরের সঙ্গে যুক্ত হয়, তাকে বলে অস্থিসন্ধি বা হাড়ের গাঁথুনি বা হাড়ের সংযুক্তি। আমাদের শরীরে এমন অসংখ্য হাড় আছে। এই হাড়গুলোর মধ্যে অস্থিবন্ধনী রয়েছে। অস্থি, মাংসপেশি ও লিগামেন্ট দিয়ে অস্থিবন্ধনী তৈরি হয়। লিগামেন্ট কিছুটা [...]]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p>আমাদের শরীরে ২০৬টি হাড় রয়েছে। এই হাড়গুলো বিভিন্ন বন্ধনী দিয়ে পরস্পরের সঙ্গে যুক্ত। শরীরের যে স্থানে দুটো হাড় বা অস্থি একে অপরের সঙ্গে যুক্ত হয়, তাকে বলে অস্থিসন্ধি বা হাড়ের গাঁথুনি বা হাড়ের সংযুক্তি। আমাদের শরীরে এমন অসংখ্য হাড় আছে। এই হাড়গুলোর মধ্যে অস্থিবন্ধনী রয়েছে। অস্থি, মাংসপেশি ও লিগামেন্ট দিয়ে অস্থিবন্ধনী তৈরি হয়। লিগামেন্ট কিছুটা স্থিতিস্থাপকতাসমৃদ্ধ, ভীষণ শক্ত, সাদা বর্ণের বিশেষ ধরনের মাংসপেশি। এটি হাড়ের গাঁথুনিতে শক্ত রশির মতো কাজ করে। হাড়, লিগামেন্ট, মাংসপেশি থাকার জন্যই অস্থিসন্ধিতে হাড় শক্তভাবে লেগে থাকে। আমাদের শরীরে অনেক অস্থিসন্ধি রয়েছে-যেমন হাঁটুর অস্থিসন্ধি, ঘাড়ের সন্ধি, কোমরের অস্থিসন্ধি ইত্যাদি। গঠনপ্রকৃতি অনুযায়ী অস্থিসন্ধিগুলো তিন ধরনের। তন্তুময়, তরুণাস্থিময়, সাইনোভিয়াল। হাঁটুর অস্থিসন্ধিকে বলে সাইনোভিয়াল অস্থিসন্ধি। আমাদের হাঁটুতে লম্বা তিনটি হাড় এবং প্যাটেলা নামের গোলাকার হাড় রয়েছে। এই চারটি হাড় হাঁটুতে অস্থিসন্ধির মাধ্যমে সংযুক্ত হয়েছে।</p>
<p>অস্থিসন্ধিতে এই অস্থি চারটি লিগামেন্ট দিয়ে শক্তভাবে আবদ্ধ। দুটো লম্বা হাড়ের মধ্যে তরুণাস্থি নামের হালকা, মসৃণ, স্বচ্ছ, নরম হাড় রয়েছে। পাশাপাশি দুটো তরুণাস্থির মধ্যে সাইনোভিয়াল গহ্বর নামে ফাঁকা স্থান থাকে। এই ফাঁকা স্থানে হলদে, বাদামি বর্ণের এঁটেল ও পিচ্ছিল তরল পদার্থ থাকে। এই তরল পদার্থটির নাম সাইনোভিয়া। মাতৃগর্ভে থাকা অবস্থায়ই মানুষের হাঁটুর হাড়ের গাঁথুনি তৈরি হয়।</p>
<p>হাঁটুর অস্থিসন্ধির কাজ</p>
<ul>
<li>এই অস্থিসন্ধি গর্ভের শিশুকে মায়ের পেটে দুই পা ভাঁজ করে রাখতে সহায়তা করে</li>
<li>পায়ের হাড়গুলোকে হাঁটুর বন্ধনী দৃঢ়তা প্রদান করে। ফলে মানুষ শক্তভাবে হাঁটতে ও দৌড়াতে পারে</li>
<li>মেরুদণ্ডকে দেহের ভার বহন করতে পরোক্ষভাবে সহায়তা করে।</li>
</ul>
<p>অস্থিসন্ধির যত্ন নিন<br />
গর্ভাবস্থায় মায়েরা উঁচু হিলযুক্ত জুতা পরবেন না। শরীরের ওজন বয়স অনুযায়ী বেড়ে গেলে হাঁটু ও পায়ের পাতায় ব্যথা হয়। দীর্ঘদিন ধরে এ অবস্থা চলতে থাকলে মেরুদণ্ডের ওপর বিরূপ প্রভাব পড়ে। তাই বয়স ও উচ্চতা অনুযায়ী শরীরের ওজন ঠিক রাখুন।<br />
সব সময় সুষম খাবার খান। দীর্ঘদিন জ্ননিয়ন্ত্রণ বড়ি খাবেন না।</p>
<p>ওজন কমানোর জন্য হঠাৎ করে অতিরিক্ত খাবার নিয়ন্ত্রণ হাড়ের ওপর বিরূপ প্রভাব ফেলে। তাই স্থূলকায় ব্যক্তিরা আস্তে আস্তে খাবার নিয়ন্ত্রণ করুন।</p>
<p>প্রতিদিন অন্তত ৩০ মিনিট হাঁটুন।<br />
শরীরে ক্যালসিয়াম, আয়রন, আয়োডিনের অভাব হলে সাইনোভিয়া শুকিয়ে যায়, হাড়ে ক্ষয় শুরু হয়। দেখা গেছে বাংলাদেশে ৪০ বছরের বেশি বয়সী নারীদের হাঁটুর অস্থিসন্ধি দুর্বল হয়ে যায়। তাই নিয়মিত ক্যালসিয়াম, আয়রন, আয়োডিনসমৃদ্ধ খাবার খান। এগুলো হাড়ের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। প্রসূতি মায়েরা প্রসবের (স্বাভাবিক বা সিজারিয়ান) পর দীর্ঘ সময় দাঁড়িয়ে থাকবেন না।</p>
<p>&#8212;&#8212;&#8212;&#8212;&#8212;&#8211;</p>
<p>ফারহানা মোবিন<br />
প্রথম আলো, ৯ এপ্রিল ২০০৮</p>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://health.evergreenbangla.com/%e0%a6%b9%e0%a6%be%e0%a6%81%e0%a6%9f%e0%a7%81%e0%a6%b0-%e0%a6%b9%e0%a6%be%e0%a7%9c%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%97%e0%a6%be%e0%a6%81%e0%a6%a5%e0%a7%81%e0%a6%a8%e0%a6%bf/feed/</wfw:commentRss>
		</item>
		<item>
		<title>শ্বেতকণিকার ক্যান্সারঃ লিম্ফোমা</title>
		<link>http://health.evergreenbangla.com/%e0%a6%b6%e0%a7%8d%e0%a6%ac%e0%a7%87%e0%a6%a4%e0%a6%95%e0%a6%a3%e0%a6%bf%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%95%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a6%be%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%b8%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a6%83-%e0%a6%b2/</link>
		<comments>http://health.evergreenbangla.com/%e0%a6%b6%e0%a7%8d%e0%a6%ac%e0%a7%87%e0%a6%a4%e0%a6%95%e0%a6%a3%e0%a6%bf%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%95%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a6%be%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%b8%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a6%83-%e0%a6%b2/#comments</comments>
		<pubDate>Wed, 09 Apr 2008 05:50:49 +0000</pubDate>
		<dc:creator>admin</dc:creator>
		
		<category><![CDATA[ক্যান্সার]]></category>

		<category><![CDATA[]]></category>

		<category><![CDATA[কিডনি]]></category>

		<category><![CDATA[ভাইরাস]]></category>

		<category><![CDATA[শ্বেতকণিকা]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://health.evergreenbangla.com/%e0%a6%b6%e0%a7%8d%e0%a6%ac%e0%a7%87%e0%a6%a4%e0%a6%95%e0%a6%a3%e0%a6%bf%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%95%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a6%be%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%b8%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a6%83-%e0%a6%b2/</guid>
		<description><![CDATA[চিকিৎসার আগে রোগের পর্যায় নির্ণয় জরুরি
ছেলেটির বয়স মাত্র নয় বছর। গত মাসে শহীদ সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালের সার্জারি বিভাগে ভর্তি হয়েছে প্রচণ্ড পেটব্যথা নিয়ে। দুই দিন হলো পায়খানা হচ্ছে না। একদিন প্রস্রাব আটকে যায় সকাল থেকে। কিছু খেলেই পেটব্যথা করে তাই কিছু খেতে পারছে না। পেট ফুলে গেছে। গায়ে জ্বর, সঙ্গে সারা শরীর ব্যথা। তার মায়ের কাছ [...]]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p>চিকিৎসার আগে রোগের পর্যায় নির্ণয় জরুরি<br />
ছেলেটির বয়স মাত্র নয় বছর। গত মাসে শহীদ সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালের সার্জারি বিভাগে ভর্তি হয়েছে প্রচণ্ড পেটব্যথা নিয়ে। দুই দিন হলো পায়খানা হচ্ছে না। একদিন প্রস্রাব আটকে যায় সকাল থেকে। কিছু খেলেই পেটব্যথা করে তাই কিছু খেতে পারছে না। পেট ফুলে গেছে। গায়ে জ্বর, সঙ্গে সারা শরীর ব্যথা। তার মায়ের কাছ থেকে জানা গেল, গত বছর ডিসেম্বরে এ রকম ব্যথা হওয়ায় ছেলেটিকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল।<br />
ব্যথা ছিল শুধু তলপেটের ডান দিকে। তখন পেটের সেই স্থানে চাকা অনুভূত হয়েছিল। আলট্রাসনোগ্রাফিতে চাকাটি অ্যাপেনডিক্সজনিত বলায় তখন চিকিৎসকেরা অপারেশন করেননি। শুধু ওষুধে ভালো হয়ে যাওয়ায় ছয় সপ্তাহ পর যোগাযোগ করতে বলা হয়েছিল। কিন্তু পয়সা না থাকায় ছয় সপ্তাহ পর চিকিৎসকের কাছে আনা যায়নি।</p>
<p>এখন পুরো পেট ফুলে ব্যথা হওয়ায় হাসপাতালে আনতে হয়েছে। পরীক্ষা করে দেখা গেল, অনুভূত চাকাটি আকারে অনেক বড় হয়ে গেছে। পেটের আরেকটি স্থানেও চাকা দেখা দিয়েছে। বাহুমূল ও গলার কয়েকটি লসিকাগ্রন্থি ফুলে গেছে, যদিও তাতে ব্যথা নেই। সূক্ষ্ম সুইয়ের সাহায্যে অনুভূত চাকা থেকে কোষ নিয়ে পরীক্ষা করে জানা গেল, ছেলেটি রক্তের শ্বেতকণিকার ক্যান্সারে আক্রান্ত। রোগের নাম নন-হজকিনস লিম্ফোমা।</p>
<p>ফুলে ওঠা চাকা অন্ত্রনালিতে চাপ দেওয়ায় কিছু খেলেই পেটে ব্যথা হচ্ছে, পেট ফুলে যাচ্ছে। প্রস্রাব নিঃসরণের পথে চাকাটি বাধা দিচ্ছে বলে মাঝেমধ্যেই তার প্রস্রাবও আটকে যাচ্ছে।<br />
আমাদের শরীরের শ্বেতকণিকা দেহকে নীরোগ রাখতে প্রাকৃতিক সুরক্ষা দেয়। এই শ্বেতকণিকা আবার বিভিন্ন ধরনের। এর মধ্যে লিম্ফোসাইট নামে শ্বেতকণিকা থেকে লিম্ফোমা ক্যান্সার হয়। এর প্রধান দুটো শ্রেণীভেদ হচ্ছে হজকিনস ও নন-হজকিনস লিম্ফোমা। শরীরে যে লসিকা-রস আছে, তার কাজ হচ্ছে দেহকে রোগ সংক্রমণ থেকে রক্ষা করা। লসিকা-রস কাজ করে একটি সুবিন্যস্ত নেটওয়ার্কের মাধ্যমে, যা গঠিত লসিকাগ্রন্থি, প্লীহা, টনসিল, অস্থিমজ্জা ও দেহের নানা স্থানে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে থাকা লসিকাকোষ নিয়ে। লসিকাগ্রন্থিগুলো বাহুমূল, গলা, তলপেট (কুঁচকি), কনুই ও পেটে ছড়িয়ে আছে। সাধারণ উপায়ে এগুলো খুঁজে পাওয়া যায় না। প্রদাহ বা ক্যান্সারের কারণে এগুলো যখন আকারে বড় হয়ে যায়, তখন হাত দিয়ে পরীক্ষা করলে এগুলো খুঁজে পাওয়া যায়।</p>
<p>কারণ<br />
এ রোগের নির্দিষ্ট কারণ এখনো জানা যায়নি। তবে কিছু ভাইরাস (যেমন এইচআইভি) ও ব্যাকটেরিয়াকে (স্ক্রুর মতো প্যাঁচানো পাকস্থলীতে থাকা হেলিকোব্যাক্টর পাইলোরি) এর জন্য দায়ী করা হয়। রোগ-প্রতিরোধক্ষমতা কম থাকলে এ রোগ হওয়ার আশঙ্কা বেশি থাকে।</p>
<p>উপসর্গ<br />
হজকিনস লিম্ফোমার প্রধান উপসর্গ গলার লসিকাগ্রন্থি ফুলে ওঠা। এতে ব্যথা থাকে না।<br />
তবে জ্বর, গা ব্যথা, দুর্বলতা, ওজন কমে যাওয়া, কোনো কোনো ক্ষেত্রে যকৃৎ, প্লীহা বড় হয়ে যাওয়া প্রভৃতি উপসর্গ থাকতে পারে। নন-হজকিনস লিম্ফোমার ক্ষেত্রে শরীরের কয়েকটি স্থানে লসিকাগ্রন্থি একই সঙ্গে আক্রান্ত হয়, দ্রুত বড় হয়ে ওঠে এবং এগুলো নরম ও ব্যথামুক্ত হয়। কোনো কোনো ক্ষেত্রে পেটের ভেতরই প্রথম চাকা বাঁধতে দেখা যায়, যা উল্লিখিত ছেলেটির ক্ষেত্রে হয়েছে। কিডনি, মুখ, মেয়েদের ক্ষেত্রে ডিম্বাশয়, হাড়ে রোগ দ্রুত ছড়ায়। জ্বর, গা-ব্যথা, ওজন কম প্রভৃতি উপসর্গ থাকতে পারে; যকৃৎ, প্লীহা বড় হয়ে যেতে পারে।</p>
<p>রোগ নির্ণয়<br />
ফুলে ওঠা লসিকাগ্রন্থি বা পেটে অনুভূত চাকা থেকে কোষ নিয়ে পরীক্ষা করে রোগ নির্ণয় করা যেতে পারে। এই পরীক্ষাকেই সংক্ষেপে এফএনএসি বলা হয়। আলট্রাসনোগ্রাফি, বুকের এক্স-রে, সিটিস্ক্যান রোগ নির্ণয়ে এবং তা কতটুকু ছড়িয়ে পড়ে তা জানতে সাহায্য করে। সে অনুযায়ী চিকিৎসা-পদ্ধতি ঠিক করা হয়।</p>
<p>চিকিৎসা<br />
চিকিৎসা শুরুর আগে রোগের পর্যায় নির্ণয় করা জরুরি। রেডিওথেরাপি ও কেমোথেরাপি দিয়ে এর চিকিৎসা করা হয়। সর্বাধুনিক চিকিৎসা হচ্ছে ইমিউনোথেরাপি। অবশ্য এটি খুবই ব্যয়বহুল। কণ্ঠশিল্পী সাবিনা ইয়াসমীনকে সিঙ্গাপুরে ইমিউনোথেরাপি দেওয়া হয়েছে। শুরুতে রোগ ধরা পড়লে সঠিক চিকিৎসায় ভালো হয়ে যায়।<br />
খুব কম ক্ষেত্রেই অপারেশনের প্রয়োজন হয়। এ রোগ সম্পর্কে সচেতনতা সৃষ্টি খুবই জরুরি।</p>
<p>&#8212;&#8212;&#8212;&#8212;&#8212;&#8211;<br />
প্রথম আলো, ৯ এপ্রিল ২০০৮<br />
ডা. ইশরাত ফেরদৌসী<br />
সার্জারি বিভাগ, বেগম খালেদা জিয়া মেডিকেল কলেজ ও শহীদ সোহরাওয়ার্দী হাসপাতাল, ঢাকা</p>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://health.evergreenbangla.com/%e0%a6%b6%e0%a7%8d%e0%a6%ac%e0%a7%87%e0%a6%a4%e0%a6%95%e0%a6%a3%e0%a6%bf%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%95%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a6%be%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%b8%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a6%83-%e0%a6%b2/feed/</wfw:commentRss>
		</item>
	</channel>
</rss>
